মাত্র ২৪ টাকায় ফাইল করুন আয়কর রিটার্ন, জিও অ্যাপ দিচ্ছে বিশেষ সুবিধা

ITR filing

আয়কর রিটার্ন (ITR) ফাইল করা মানেই কি এখনও আপনার কাছে এক রাশ জটিলতা আর বাড়তি খরচের বোঝা? যদি তাই হয়, তবে আপনার জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে জিও ফাইন্যান্স অ্যাপ। এবার থেকে ট্যাক্স ফাইল করার ঝক্কি শেষ! মাত্র ২৪ টাকা থেকে শুরু হচ্ছে এই অত্যাধুনিক পরিষেবা, যা সাধারণ মানুষের জন্য আয়কর রিটার্ন ফাইল করাকে করে তুলবে জলভাত।

ট্যাক্সবাডি-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে এই নতুন ফিচারটি চালু করেছে জিও ফাইন্যান্স অ্যাপ। এর মূল লক্ষ্য, করদাতাদের জন্য ট্যাক্স ফাইলিং এবং অন্যান্য আর্থিক পরিকল্পনাকে আরও সহজ, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী করে তোলা। আর পাঁচটা প্ল্যাটফর্মের তুলনায় এই সুবিধা অনেক বেশি সহজ এবং পকেটের ওপর চাপও ফেলবে না।

দু‘টি সহজ বিকল্প, আপনার পছন্দ অনুযায়ী:

এই নতুন পরিষেবাতে গ্রাহকদের জন্য দুটি বিকল্প রাখা হয়েছে। প্রথমটি হল সেলফ-ফাইলিং। আপনি যদি নিজেই ট্যাক্স ফাইল করতে চান, তবে মাত্র ২৪ টাকা খরচ করেই অ্যাপের নির্দেশিকা মেনে ধাপে ধাপে সবটা সেরে ফেলতে পারবেন। অ্যাপটি আপনাকে প্রতিটি পদক্ষেপে সাহায্য করবে, যাতে কোনও ভুল না হয়।

আর যদি আপনি একজন বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিয়ে কাজটা করতে চান, তবে রয়েছে দ্বিতীয় অপশনটি— এক্সপার্ট-অ্যাসিস্টেড ফাইলিং। এর জন্য খরচ শুরু হচ্ছে ৯৯৯ টাকা থেকে। এই মডিউলে আপনি একজন ট্যাক্স বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও সহায়তা পাবেন, যিনি আপনার ট্যাক্স ফাইল করার পুরো প্রক্রিয়াটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করবেন।

কী কী সুবিধা মিলবে এই অ্যাপে?

এই নতুন ফিচারটি শুধু ট্যাক্স ফাইলিং-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা যুক্ত করা হয়েছে:

  • সহজ নির্দেশিকা: অ্যাপটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে একজন সাধারণ মানুষও সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারেন। আয়ের বিবরণ দেওয়া থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করা এবং সঠিক ট্যাক্স রেজিম (পুরনো বা নতুন) বেছে নেওয়া পর্যন্ত সব ধাপে অ্যাপ আপনাকে গাইড করবে।
  • সর্বোচ্চ ছাড়ের সুবিধা: আপনার ট্যাক্স যাতে সর্বনিম্ন হয়, তার জন্য অ্যাপটি 80C এবং 80D-এর মতো সেকশনের অধীনে সর্বোচ্চ কর ছাড় পেতে সাহায্য করবে।
  • ট্যাক্স প্ল্যানার: এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি ভবিষ্যতের ট্যাক্স পরিকল্পনা করতে পারবেন। এটি আপনাকে HRA-এর সুবিধা মূল্যায়ন করতে এবং দুটি ট্যাক্স রেজিমের মধ্যে তুলনা করে সেরাটি বেছে নিতে সাহায্য করবে।
  • পোস্ট-ফাইলিং সাপোর্ট: রিটার্ন ফাইল করার পরেও আপনি নিশ্চিন্ত থাকবেন। অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি আপনার রিটার্নের বর্তমান অবস্থা ট্র্যাক করতে পারবেন, রিফান্ড এসেছে কিনা তা জানতে পারবেন এবং কোনও নোটিস এলে সঙ্গে সঙ্গে অ্যালার্ট পাবেন।

জিও ফাইন্যান্স লিমিটেড-এর MD এবং CEO হিতেশ সেঠিয়া জানিয়েছেন, “আমরা চাই ট্যাক্স ফাইলিং-এর যে জটিলতা এতদিন ছিল, তা দূর করে গ্রাহকদের জন্য একটি সহজ এবং ডিজিটাল সমাধান আনতে। এই ফিচারের সাহায্যে গ্রাহকরা সারা বছর ধরে নিজেদের ট্যাক্স পরিকল্পনা করতে পারবেন।”

এই নতুন ফিচারটি ২০২৫-২৬ অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার-এর জন্য চালু করা হয়েছে। যারা প্রথমবার আয়কর রিটার্ন ফাইল করছেন, তাদের জন্য এই অ্যাপটি একটি আদর্শ প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। এটি শুধুমাত্র সস্তা নয়, বরং সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য।

আয়কর রিটার্ন ফাইল করার জন্য আর দেরি কেন? আজই আপনার স্মার্টফোনে জিও ফাইন্যান্স অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং ট্যাক্স ফাইলিং-এর কাজ শুরু করুন। আরও তথ্যের জন্য অ্যাপটি দেখুন বা ট্যাক্সবাডি-র সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বলা যেতে পারে, ট্যাক্স ফাইলিং এখন সকলের হাতের মুঠোয়!

এই মুহূর্তে

আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভারতীয় অস্ত্রের নতুন পরিচয়: ‘আকাশ’ এখন ‘লুসান’, ‘পিনাকা’ ‘শান্ত’

আর্থিক জটিলতায় পাকিস্তানে J-10CE যুদ্ধবিমান সরবরাহ স্থগিত করল চীন

ভারতের মেগা রাফাল চুক্তি: ফ্রান্সকে LoR পাঠাল দিল্লি, ₹৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকায় ৯৪টি যুদ্ধবিমান তৈরি হবে ভারতেই

Ai+ Chinese links controversy: নীরবতা ভাঙল Ai+, অভিযোগ এড়িয়ে ‘শিখছি’ বলল সংস্থা