টেক ডেস্কঃ ভূমধ্যসাগরের পূর্বে ভারতের কৌশলগত প্রতিরক্ষা পদচিহ্ন দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে, যা তুরস্কের পাকিস্তান-সমর্থিত সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ভারতের এক শক্তিশালী পাল্টা জবাব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ভারতের বিধ্বংসী সুপারসনিক BrahMos ক্ষেপণাস্ত্র, যা গ্রিস ও সাইপ্রাস সম্ভাব্যভাবে সংগ্রহ করতে চলেছে। এই ঘটনা তুরস্কের প্রতিরক্ষা মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
BrahMos ক্ষেপণাস্ত্র তার ম্যাক ২.৮-৩.০ গতি এবং সমুদ্র-পৃষ্ঠের নিচ দিয়ে উড়ে যাওয়ার ক্ষমতার জন্য সুপরিচিত। এটি তুরস্কের S-400 সহ বিদ্যমান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। গ্রিস ও সাইপ্রাসের জন্য স্থল-ভিত্তিক BrahMos ব্যাটারি একটি সাশ্রয়ী অথচ অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যান্টি-অ্যাক্সেস/এরিয়া-ডিনায়াল (A2/AD) ঢাল তৈরি করবে, যা এই অঞ্চলের নৌ-শক্তির ভারসাম্যকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করবে। এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিশ্বব্যাপী অস্ত্র রপ্তানিকারক হিসেবে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে তুলে ধরছে।
তুর্কি গোয়েন্দা সংস্থাগুলি আশঙ্কা করছে যে সাইপ্রাস এই উন্নত অস্ত্রগুলির জন্য একটি পরোক্ষ মাধ্যম হতে পারে, কারণ সাইপ্রাস সম্প্রতি দিল্লির সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্ব উন্নত করেছে এবং ভারতীয় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। যদিও কোনো আনুষ্ঠানিক বিক্রির ঘোষণা হয়নি, BrahMos-এর মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত প্রতিরোধমূলক প্রভাব ইতিমধ্যেই আঙ্কারাকে তাদের নিরাপত্তা অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করছে, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর ভারতের ‘আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা’র গভীর প্রভাবকে স্পষ্ট করে তোলে।