ভারতীয় আকাশ-১এস এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের প্রশংসায় পঞ্চমুখ আর্মেনিয়া: গতিশীলতা ও বহু-লক্ষ্যভেদ ক্ষমতাই প্রধান আকর্ষণ

Armenia hails Indian Akash-1S

টেক ডেস্কঃ আর্মেনিয়ার সামরিক বাহিনী ভারতের তৈরি অত্যাধুনিক আকাশ-১এস (Akash-1S) সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (SAM) সিস্টেমের কার্যকারিতা নিয়ে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিমান প্রতিরক্ষা মহড়ায় এই ব্যবস্থার অসাধারণ গতিশীলতা এবং একই সঙ্গে বহু শত্রু বিমান ট্র্যাকিং ও আঘাত করার ক্ষমতাকে বিশেষভাবে প্রশংসা করা হয়েছে। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য একটি বড় সাফল্য, কারণ আর্মেনিয়াই এই সিস্টেমের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রেতা।

আকাশ-১এস-এর ‘শুট-অ্যান্ড-স্কুট’ (Shoot-and-Shoot) কৌশলগত ক্ষমতা আর্মেনিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর অর্থ হলো, এই ব্যবস্থা দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে এবং চলমান স্থলবাহিনী ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর উপর সুরক্ষা বলয় তৈরি করতে পারে। মোবাইল লঞ্চার, নজরদারি রাডার, কমান্ড সেন্টার এবং লজিস্টিক সাপোর্ট যানবাহন সমন্বিত সম্পূর্ণ ব্যাটারি সিস্টেমটি সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হতে পারে, যা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত মোতায়েনের জন্য অপরিহার্য।

ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO) দ্বারা তৈরি এবং ভারত ডাইনামিক্স লিমিটেড (BDL) ও ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (BEL) দ্বারা নির্মিত এই ‘১এস’ ভ্যারিয়েন্টটি ২৫ কিলোমিটার পাল্লা এবং ১৮ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তু ভেদ করতে সক্ষম। এর উন্নত রাডার সিস্টেম ৬০টি লক্ষ্যবস্তু পর্যবেক্ষণ করে একসঙ্গে ১৬টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

আর্মেনিয়ার সেনারা ভারতে ব্যাপক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে এবং স্থানীয় মহড়ায় প্রতিনিয়ত নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করছে। এই বাস্তব ব্যবহার থেকে প্রাপ্ত তথ্য ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য অমূল্য, যা ভবিষ্যতে আকাশ সিস্টেমের আরও উন্নত সংস্করণ তৈরির পথ প্রশস্ত করবে। ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানির ক্ষেত্রে এটি এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

এই মুহূর্তে

বাজারে এল Lenovo Yoga Tab Gen 2 সিরিজ: 4K 144Hz ডিসপ্লে ও ৭টি বড় Android আপডেটের প্রতিশ্রুতি

Mivi One 5G-এর প্রতীক্ষা শেষ: ২৪শে সেপ্টেম্বর আসছে Snapdragon 4 Gen 2 সহ

ভারতে SAAB-এর ঐতিহাসিক জয়: ৪৭১ কোটি টাকার Carl-Gustaf MK-IV চুক্তি, দেশেই তৈরি হবে অত্যাধুনিক রকেট লঞ্চার

এইচএএল HLFT-42 ইঞ্জিনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে, ২০৩০ সালের মধ্যে নকশা সম্পন্ন করার লক্ষ্য, আইএএফ-এর হক ফ্লিট প্রতিস্থাপনে নতুন দিশা