কোটি টাকার বাড়ি বাঁচাতে এনসিআর-এর রাস্তায় এক প্রাক্তন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের লড়াই

laid off engineer bike taxi

প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের অস্থিরতা আবারও এক কঠোর বাস্তবতা সামনে এনেছে। একসময় ৪০ লক্ষ টাকা বার্ষিক বেতন পাওয়া এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, যিনি এখন ‘লে অফড ইঞ্জিনিয়ার বাইক ট্যাক্সি’ চালক হিসেবে এনসিআর-এর রাস্তায় বাইক চালাচ্ছেন। হঠাৎ চাকরি হারানোর পর মাসিক ৯৫,০০০ টাকার বাড়ির ইএমআই মেটাতে মরিয়া হয়ে তিনি এই পেশা বেছে নিয়েছেন।

১.৪ কোটি টাকার ফ্ল্যাট কিনেছিলেন তিনি, যা একসময় তাঁর স্বপ্ন ছিল, এখন তা তাঁর জন্য বড় বোঝায় পরিণত হয়েছে। তাঁর এক বন্ধুর ভাইরাল পোস্ট থেকে জানা যায়, তিন মাস আগে চাকরি হারানোর পর তাঁর সঞ্চয় দ্রুত কমতে থাকে। ব্যাংক যাতে তাঁর বাড়ি বাজেয়াপ্ত না করে, তার জন্য তিনি Rapido-তে বাইক ট্যাক্সি চালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন। কোডিং ও ক্লায়েন্ট মিটিংয়ের ব্যস্ত জীবন থেকে তাঁর দৈনিক রুটিন এখন এনসিআর-এর ব্যস্ত রাস্তায় যাত্রীদের নিয়ে যাতায়াত। একসময় কর্পোরেট সাফল্যের শীর্ষে থাকা এই মানুষটির বর্তমান সংগ্রাম এক গভীর দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করেছে। বন্ধুর বয়ান অনুযায়ী, তার বন্ধু গভীর অনুশোচনা ও উদ্বেগে রাত কাটান। তার চোখে জল আসে এই ভেবে যে, কেন তিনি এত বড় ঋণের বোঝা নিয়েছিলেন। প্রতিদিনের আয় এখন সরাসরি ব্যাঙ্কের কিস্তির জন্য চলে যায়, যা তাকে ক্রমাগত চাপের মধ্যে রাখে। এই ঘটনা ‘ইএমআই কালচার’ এবং ভারতের আইটি হাবগুলিতে মধ্যবিত্তের আর্থিক দুর্বলতা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

Oracle-এর মতো বড় কোম্পানিতেও সম্প্রতি ব্যাপক ছাঁটাই দেখা গেছে, যা হাজার হাজার কর্মচারীর জীবন অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই ঘটনাগুলি বুঝিয়ে দেয় যে, যেকোনো সময় চাকরি হারানোর ঝুঁকি কতটা বাস্তব। তাই, ‘লে অফড ইঞ্জিনিয়ার বাইক ট্যাক্সি’ চালকের এই কাহিনি শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত দুর্দশা নয়, এটি প্রযুক্তি শিল্পের অস্থিরতার এক বৃহত্তর প্রতিচ্ছবি। এটি সমস্ত সাদা-কলার পেশাদারদের জন্য একটি কঠিন শিক্ষা, যা মনে করিয়ে দেয় যে, আর্থিক পরিকল্পনা এবং আকস্মিক বিপর্যয়ের জন্য প্রস্তুতি কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

এই মুহূর্তে

Project বিষ্ণুর ET-LDHCM হাইপারসনিক মিসাইল: ভারত Mach 8 গতির পথে

ভারতে ভিনফাস্ট VF MPV 7 লঞ্চ হল: দাম ২৪.৪৯ লক্ষ টাকা

পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও মালদায় আইএসআই-এর জঙ্গি তৎপরতার আশঙ্কা, উত্তর-পূর্ব ভারতেও প্রভাব পড়তে পারে

স্ট্যানফোর্ড রিপোর্ট: আমেরিকা ও চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবধান প্রায় শূন্যে নেমে এল!