নয়াদিল্লিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকগুলি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে নতুন দিগন্তে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের মধ্যে আলোচনা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার উপর আলোকপাত করেছে। এই সফর বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ নতুন বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রথম কোনো বাংলাদেশি মন্ত্রীর ভারত সফর।
বৈঠকে দুই পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঘটনাবলী নিয়ে মতামত আদান-প্রদান করেছে। ভারত বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত হওয়ার এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার দৃঢ় ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। প্রগতিশীল পদক্ষেপের অংশ হিসেবে, বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থার মাধ্যমে অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করার প্রস্তাবগুলি অন্বেষণ করতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। এছাড়াও, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরির সঙ্গেও দেখা করেন। একই সময়ে, ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে সুরক্ষা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা পর্যালোচনা করেন।
এই আলোচনায় প্রশিক্ষণ বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে আদান-প্রদানের বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই ধরনের উচ্চ-স্তরের আলাপ-আলোচনা স্পষ্টতই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও মজবুত করার প্রতিশ্রুতি বহন করে। পূর্বে কিছুটা চাপের মুখে থাকা এই সম্পর্ক এখন একটি ইতিবাচক এবং গঠনমূলক পথে এগিয়ে চলেছে, যা উভয় দেশের জন্য পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করবে। এই সফর দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাস ও সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।