সি আই এ’র নথি দেখিয়ে নিশিকান্ত দুবের বিস্ফোরক অভিযোগ: “কংগ্রেস সোভিয়েত রাশিয়ার এজেন্ট ছিল?”

Feature T&L

বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে ফের একবার কংগ্রেস পার্টির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন। সোমবার নিজের ‘X’ অ্যাকাউন্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ সি আই এ’র নথি শেয়ার করে তিনি দাবি করেন, ২০১১ সালে সি আই এ যে একটি তথ্য প্রকাশ করেছিল, তাতে উঠে আসে ভয়ঙ্কর তথ্য।

নথি অনুযায়ী, প্রয়াত কংগ্রেস নেতা এইচ  কে এল ভগত-এর নেতৃত্বে ১৫০ জনের বেশি কংগ্রেস সাংসদ সোভিয়েত রাশিয়া থেকে অর্থ গ্রহণ করতেন এবং রাশিয়া-র এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন।

নিশিকান্ত দুবের দাবি, “কংগ্রেস, দুর্নীতি এবং দাসত্ব—এই তিনে ভরপুর ছিল সেই সময়ের ভারতীয় রাজনীতি। এই গোপন নথি ২০১১ সালে সি আই এ প্রকাশ করে। এতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, প্রয়াত এইচ কে এল ভগত-এর নেতৃত্বে কংগ্রেসের বহু সাংসদ সোভিয়েত রাশিয়ার অর্থে চলতেন।”

শুধু সাংসদ নয়, দুবের দাবি অনুসারে, সাংবাদিকদের একটি বড় অংশকেও রাশিয়া নিজেদের “এজেন্ট” বানিয়েছিল। তার মতে, নথিতে এমন ১৬,০০০টি নিউজ আর্টিকেল-এর উল্লেখ আছে, যেগুলো রাশিয়া-র প্রভাবিত মিডিয়া দ্বারা ভারতের মিডিয়ায় ছাপা হয়।

তিনি আরও বলেন, কংগ্রেস শাসনকালে রাশিয়া-র 1100 জন গোয়েন্দা কর্মী ভারতে সক্রিয় ছিল। এরা শুধু আমলা, ব্যবসায়িক সংগঠন, কমিউনিস্ট দল, ও মতামত প্রস্তুতকারক-দের নিয়ন্ত্রণে রাখত না, ভারতের নীতিনির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিত।

নিশিকান্ত দুবে আরও এক বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন কংগ্রেস প্রার্থী সুভদ্র জোশি -কে ঘিরে। তাঁর দাবি, “সুভদ্র জোশি জার্মান সরকারের কাছ থেকে ₹5 লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন নির্বাচনের জন্য। পরে ভোটে হেরে ইন্দো-জার্মান ফোরাম -এর সভাপতি হন।”

নিশিকান্ত দুবের প্রশ্ন, “একটা দেশ না কি দালাল, এজেন্ট আর দাসদের দ্বারা চালিত একটা কাঠপুতুল? কংগ্রেস-কে আজ এর উত্তর দিতে হবে। এই নিয়ে আজই তদন্ত হওয়া উচিত নয়?”

এই অভিযোগের জেরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এই মুহূর্তে

ভারতীয় নৌবাহিনীর IOR দাপটে নতুন মাত্রা: আসছে NASM-MR, BrahMos-NG ও Glidefire, তৈরি হচ্ছে ‘Indian Navy Layered Naval Firepower’

ইন্দো-প্যাসিফিকে নৌ প্রতিরক্ষা বাড়াতে ভারতের BrahMos ক্ষেপণাস্ত্রের দিকে নজর থাইল্যান্ডের

বিশ্বজুড়ে মেমরি চিপের আকাল, MacBook Air-এর জোগান নিয়ে উদ্বেগ!

আপনার অনলাইন পরিচয় সুরক্ষিত করুন: ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট মুছে ফেলার সহজ উপায়