টেক ডেস্কঃ ভারতের বিমানবাহিনীর ভবিষ্যৎ এখন এক নতুন দিগন্তে। তেজস MK-1A থেকে তেজস MK-2 এবং অবশেষে অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট (AMCA) পর্যন্ত দেশের নিজস্ব যুদ্ধবিমান তৈরির প্রক্রিয়া এক অভূতপূর্ব গতি পেয়েছে। প্রতিটি পর্যায় পূর্ববর্তী সফল প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়ায়, ঝুঁকি কমছে এবং সময়সীমা দ্রুত হচ্ছে। এটি India’s Indigenous Fighter Aircraft Evolution-এর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
এই ‘প্রমাণিত। পুনঃব্যবহৃত। ত্বরান্বিত।’ নীতিই এই অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি। উদাহরণস্বরূপ, তেজস MK-2 তার পূর্বসূরি MK-1A-এর প্রায় ৬৫-৭০ শতাংশ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যার মধ্যে রয়েছে ফ্লাই-বাই-ওয়্যার আর্কিটেকচার, মিশন কম্পিউটার এবং ককপিট বিন্যাস। এই অভিন্নতা উন্নয়ন সময়, প্রযুক্তিগত ঝুঁকি এবং খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিচ্ছে, যার ফলে দ্রুত প্রাথমিক অপারেশনাল ক্লিয়ারেন্স (IOC) পাওয়া যাচ্ছে। MK-2 থেকে অর্জিত F414 ইঞ্জিন ইন্টিগ্রেশন এবং উন্নত তাপ ব্যবস্থাপনা সরাসরি AMCA প্রোগ্রামে কাজে লাগছে।
পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ ফাইটার হিসেবে পরিকল্পিত AMCA উন্নত রাডার-শোষণকারী উপাদান এবং অভ্যন্তরীণ অস্ত্রাগার যুক্ত করবে, যা তেজস সিরিজের তৈরি করা ভিত্তির উপর নির্ভর করে। এই পদ্ধতিগত অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী সফল কৌশলগুলির অনুরূপ, যা ভারতের বিদেশী সরবরাহকারীদের উপর নির্ভরতা হ্রাস করে এবং প্রতিরক্ষা শিল্প ভিত্তি শক্তিশালী করে। ব্যাঙ্গালোরের HAL, ADA, DRDO এবং ক্রমবর্ধমান বেসরকারি খাতের পরিপক্ক ইকোসিস্টেম এই অর্জনকে আরও গতি দিচ্ছে।