পাকিস্তানের গালে সপাটে চড়! DRDO লেজার প্রযুক্তি দিয়ে ড্রোন হামলা বানচাল ভারতীয় সেনার

Feature T&L

ভারতীয় সেনাবাহিনী গতকাল রাতে পাকিস্তানের একটি বড় ধরনের ড্রোন হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা (LOC) এবং আন্তর্জাতিক সীমান্তে (IB) পাকিস্তানের পাঠানো ৫০টিরও বেশি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এই ঘটনা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

কী ঘটেছিল?

৭ ও ৮ মে রাতে পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীর, পাঞ্জাব, রাজস্থান এবং গুজরাটের ১৫টি শহরে সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করে। এই হামলার লক্ষ্য ছিল উধমপুর, জম্মু, সাম্বা, আখনুর, নাগরোটা এবং পাঠানকোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে এই হামলা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়

ভারতীয় সেনা তৎক্ষণাৎ L-70 guns, Zu-23mm systems, Schilka systems এবং ডিআরডিও-র তৈরি ইন্টিগ্রেটেড ড্রোন ডিটেকশন অ্যান্ড ইন্টারডিকশন সিস্টেম (IDD&IS) ব্যবহার করে। এই সিস্টেমে রয়েছে একটি কিলোওয়াট লেজার রশ্মি, যা ৮০০ থেকে ১০০০ মিটার দূরত্ব থেকে ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। এছাড়াও, এটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি জ্যামিং এবং জিপিএস স্পুফিংয়ের মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করে ড্রোনের যোগাযোগ ও নেভিগেশন ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করে।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

ড্রোন আক্রমণ এখন বিশ্বব্যাপী একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কম দামের এই ড্রোনগুলি সহজেই সীমান্তে নজরদারি বা আক্রমণের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। DRDO-র এই লেজার অস্ত্র এই ড্রোন আক্রমণের বিরুদ্ধে একটি কার্যকর এবং সাশ্রয়ী সমাধান। ড্রোন নিষ্ক্রিয় করার পাশাপাশি, এটি ভবিষ্যতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য Aerial threat-এর বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

ভারতের জোরালো প্রতিক্রিয়া

পাকিস্তানের এই হামলার জবাবে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত একটি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস করেছে। এছাড়া, পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত ৯টি সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ভারত। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন সিন্দুর’। এই অভিযান গত ২২ এপ্রিল পাহালগামে পাকিস্তান-সমর্থিত সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে শুরু হয়েছিল, যেখানে ২৬ জন পর্যটক নিহত হয়।

এই ঘটনা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ড্রোন যুদ্ধের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাকিস্তানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভারতের কাউন্টার-UAS গ্রিড এবং এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কাছে অকেজো হয়ে পড়েছে। ভারতের S-400 ক্ষেপণাস্ত্র এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

এই ঘটনা ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভারতের কঠোর প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারত কোনো আপস করবে না।

বি.দ্র: উপরিউক্ত প্রতিবেদনটি নানা সুত্র ও সামরিক কার্যকলাপ থেকে পাওয়া তথ্যের উপর ভিত্তিক করে লেখা হয়েছে।

এই মুহূর্তে

এবার হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবেও মিলবে ভয়েস ও ভিডিও কল! মোবাইল অ্যাপের সব সুবিধা ব্রাউজারে

আসছে Oppo A7-series! লঞ্চের আগেই ফাঁস হল সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন

গোপনীয়তার সুরক্ষায় আপোষ নয়! অ্যাপলের স্মার্ট গ্লাস আসতে বিলম্ব, মেটার ভুল থেকে শিক্ষা নিচ্ছে সংস্থা

খাদ্য সরবরাহ শিল্পে প্রবেশ করছে ফ্লিপকার্ট! জোম্যাটো, সুইগি-র কপালে চিন্তার ভাঁজ?