‘অপারেশন সিঁদুর’-এ সাফল্য, ভারতীয় সেনার কাছে যুদ্ধ কৌশল শিখতে আগ্রহী গ্রিস

Feature T&L

ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সফলতা শুধু পাকিস্তান ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এক কঠোর জবাবই নয়, আন্তর্জাতিক যুদ্ধনীতির মডেল হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেছে। বিশ্বের তাবড় দেশগুলো ভারতের এই পরাক্রম দেখে অভিভূত। তাইতো এবার সেই অপারেশনের রণকৌশল জানতে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য চাইল গ্রিস (Greece)! বিষয়টি আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার এক নতুন অধ্যায় শুরুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কী ঘটেছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ?

২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল, জম্মু-কাশ্মীরের পাহেলগাঁও-তে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসবাদী হামলায় ২৬ জন নিরপরাধ পর্যটক নিহত হন। হামলার দায় নেয় পাকিস্তানপোষ্য The Resistance Front (TRF) – যা মূলত Lashkar-e-Taiba-র একটি শাখা। এই বর্বর ঘটনার পর ভারত “দায়িত্ববান কিন্তু দৃঢ় পদক্ষেপ” হিসেবে চালায় ‘অপারেশন সিঁদুর’ – একটি নিখুঁত ও পরিকল্পিত প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান।

৭-৮ মে, ২০২৫-এর রাতে চালানো এই অপারেশন ছিল সম্পূর্ণ non-escalatory, অর্থাৎ উত্তেজনা না বাড়িয়ে নির্দিষ্ট সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটি লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছিল। ৯টি টার্গেট ছিল পাকিস্তান ও PoK (পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর)-এ। কোনও সামরিক ক্ষেত্রে আঘাত হানেনি ভারত, যাতে আন্তর্জাতিক মর্যাদা বজায় থাকে।

এর পর পাকিস্তান চালায় পাল্টা drone এবং missile strike, যার টার্গেট ছিল শ্রীনগর, জম্মু, পাঠানকোট, অমৃতসর, লুধিয়ানা, ভাটিন্ডা এবং ভুজ। তবে ভারতের Integrated Counter-drone Grid এবং Air Defence System সেগুলি ব্যর্থ করে দেয়। পাকিস্তানি ড্রোন ও মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ থেকেই তার প্রমাণ মেলে।

কেন গ্রিস এতটা আগ্রহী?

গ্রিস ও ভারত— দুই দেশই ফ্রান্স নির্মিত Rafale fighter jets ব্যবহার করে। গ্রিসের Air Force General Staff চায় এই অপারেশনের রিয়েল টাইম স্ট্র্যাটেজি, প্ল্যানিং ও স্ট্রাইক প্যাটার্ন জানতে। উদ্দেশ্য – নিজেদের পাইলটদের প্রশিক্ষণ উন্নত করাবাস্তবসম্মত যুদ্ধ পরিস্থিতি-র জন্য প্রস্তুত রাখা।

গ্রিসের বর্তমানে দুটি Rafale স্কোয়াড্রন রয়েছে, এবং তারা ভারতের মতো precision strike, deep penetration mission, এবং deterrence operation-এ নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে চায়। ভারতের অভিজ্ঞতা তাদের জন্য এক কমব্যাট ম্যানুয়াল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে তারা।

কূটনৈতিক সম্পর্ক ও সামরিক বন্ধুত্ব

গ্রিসের এক প্রাক্তন রাষ্ট্রদূতের মতে, “ভারত ও গ্রিস একসঙ্গে Erdogan-এর মতো আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারে।” এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, গ্রিস শুধু তথ্য নয়, ভবিষ্যতে এয়ারফোর্স কৌশলে যৌথ উদ্যোগ চায় ভারতের কাছে।

ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ এখন আর শুধুই একটা সামরিক অভিযান নয় – এটি হয়ে উঠেছে এক আন্তর্জাতিক কেস স্টাডিSCALP এবং HAMMER মিসাইল-সহ Rafale ব্যবহারে নিখুঁত ও সংযত প্রতিরোধের আদর্শ উদাহরণ। গ্রিসের এই অনুরোধ আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্ব এবং বিশ্বাসযোগ্যতা আরও জোরদার করল।

এই তথ্যভিত্তিক সহযোগিতা ভারত ও গ্রিসকে শুধু সামরিক দিকেই নয়, কূটনৈতিকভাবে আরও ঘনিষ্ঠ করে তুলবে।

 

এই মুহূর্তে

গোপনীয়তার সুরক্ষায় আপোষ নয়! অ্যাপলের স্মার্ট গ্লাস আসতে বিলম্ব, মেটার ভুল থেকে শিক্ষা নিচ্ছে সংস্থা

খাদ্য সরবরাহ শিল্পে প্রবেশ করছে ফ্লিপকার্ট! জোম্যাটো, সুইগি-র কপালে চিন্তার ভাঁজ?

অ্যানথ্রপিক-এর স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্স-এর সাথে বড় AI চিপ চুক্তি, কাস্টম চিপের দৌড়ে নতুন মোড়

র‍্যামের দাম আকাশছোঁয়া, iPhone 18 Pro Max-এর OLED ডিসপ্লেতে খরচ কমাতে মরিয়া Apple