টেক ডেস্কঃ সাইপ্রাস ভারত থেকে অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। এই আগ্রহের মূল কারণ হলো সম্প্রতি মে ২০২৫-এ হওয়া অপারেশন সিন্ধুরে ভারতীয় অস্ত্রের চমকপ্রদ পারফরম্যান্স। একটি সন্ত্রাসী হামলার দ্রুত প্রতিক্রিয়ায় পরিচালিত এই অপারেশনটি ভারতের যুদ্ধ-প্রমাণ প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে।
পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্কের ক্রমবর্ধমান নৌ উপস্থিতি এবং ড্রোন সক্ষমতার কারণে সাইপ্রাসের নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে, ভারতীয় কামিকাজে ড্রোন (লোইটারিং মিউনিশন) এবং ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল সংগ্রহের ব্যাপারে দেশটি বিশেষ আগ্রহী। ভারতীয় ড্রোনগুলি নির্ভুলতা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের জন্য পরিচিত, যা তুরস্কের বায়রকতার টিবি২-এর মতো ড্রোনের বিরুদ্ধে একটি কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্প্রতি ভারত ও সাইপ্রাসের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রোডম্যাপ এই সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করেছে। বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগামী ব্রহ্মোস মিসাইল সাইপ্রাসের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে অভাবনীয়ভাবে বাড়িয়ে তুলবে। এর গতি এবং পাল্লা একে প্রায় অপ্রতিরোধ্য করে তোলে, যা সাইপ্রাসকে সমুদ্র ও স্থল উভয় ক্ষেত্রেই শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা দেবে।
এই প্রতিরক্ষা চুক্তি সাইপ্রাসের নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি ভারতের ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের অংশ। তুরস্কের সঙ্গে যাদের মতবিরোধ রয়েছে, যেমন সাইপ্রাস, তাদের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক স্থাপন করে ভারত ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং ইউরোপে নিজস্ব কৌশলগত প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে।