Royal Enfield Flying Flea C6 EV: ভারতের প্রথম ইভি বাইকের শোরুম ও দাম প্রকাশ্যে, প্রি-বুকিং ১০ এপ্রিল থেকে!

Royal Enfield Flying Flea C6 EV

রয়্যাল এনফিল্ড তার প্রথম ইলেকট্রিক মোটরবাইক, রয়্যাল এনফিল্ড ফ্লাইং ফ্লি সি৬ ইভি (Royal Enfield Flying Flea C6 EV) উন্মোচন করতে চলেছে, যা বাইকপ্রেমীদের মধ্যে দারুণ উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল থেকে বেঙ্গালুরুর জয়নাগরে এর প্রথম ডেডিকেটেড শোরুমে এই অত্যাধুনিক ইভি বাইকের জন্য প্রি-অর্ডার শুরু হবে। এটি শুধু রয়্যাল এনফিল্ডের প্রথম ইভি মডেলই নয়, ভারতের ইভি বাইক বাজারের জন্যও এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে, যা দেশের টু-হুইলার শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

এই বহু প্রতীক্ষিত রয়্যাল এনফিল্ড ফ্লাইং ফ্লি সি৬ ইভি-এর প্রাথমিক দাম ঘোষণা করা হয়েছে, যা ভারতের ক্রেতাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর এক্স-শোরুম মূল্য ধার্য করা হয়েছে ২.৭৯ লাখ টাকা। এছাড়াও, যারা ব্যাটারি-এজ-এ-সার্ভিস (BaaS) প্রোগ্রামের সুবিধা নিতে চান, তাদের জন্য বাইকটির দাম কমে দাঁড়াবে ১.৯৯ লাখ টাকা। এই BaaS অপশনটি গ্রাহকদের ব্যাটারি পরিবর্তনের খরচ এবং সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিতে পারে, যদিও সাবস্ক্রিপশন চার্জ আলাদাভাবে দিতে হবে। এই বিকল্পটি দীর্ঘকালীন মালিকানার খরচকে আরও সুবিধাজনক করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। রয়্যাল এনফিল্ড ফ্লাইং ফ্লি সি৬ ইভি বাইকটি দুটি আকর্ষণীয় রঙে পাওয়া যাবে: ফ্লি গ্রিন এবং স্টর্ম ব্ল্যাক। প্রচারমূলক ছবিতে ফ্লি গ্রিন রঙটি দেখা গেছে, যা বাইকটির নজরকাড়া ডিজাইনকে আরও ফুটিয়ে তুলেছে।

২০২৬ সালের মে মাসের শেষ নাগাদ প্রথম বেঙ্গালুরুর ডিলারশিপের মাধ্যমে গ্রাহকদের হাতে এই রয়্যাল এনফিল্ড ফ্লাইং ফ্লি সি৬ ইভি তুলে দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে রয়্যাল এনফিল্ডের জন্য একটি সাহসী পদক্ষেপ এবং এটি দেশের ইলেকট্রিক টু-হুইলার সেগমেন্টে এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে। এই লঞ্চ রয়্যাল এনফিল্ডকে ভবিষ্যতের পরিবহণ ব্যবস্থায় এক গুরুত্বপূর্ণ আসনে বসিয়ে দেবে, যা টেকসই এবং উদ্ভাবনী সমাধানগুলির দিকে পথ প্রশস্ত করবে।

এই মুহূর্তে

Project বিষ্ণুর ET-LDHCM হাইপারসনিক মিসাইল: ভারত Mach 8 গতির পথে

ভারতে ভিনফাস্ট VF MPV 7 লঞ্চ হল: দাম ২৪.৪৯ লক্ষ টাকা

পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও মালদায় আইএসআই-এর জঙ্গি তৎপরতার আশঙ্কা, উত্তর-পূর্ব ভারতেও প্রভাব পড়তে পারে

স্ট্যানফোর্ড রিপোর্ট: আমেরিকা ও চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবধান প্রায় শূন্যে নেমে এল!