টেক ডেস্কঃ নেটফ্লিক্স সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে: তাদের ৩০০টিরও বেশি প্রোডাকশনের পোস্ট-প্রোডাকশনে (post-production) জেনারেটিভ এআই (Generative AI) ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য হল দ্রুত এবং কম খরচে আরও উন্নত মানের কনটেন্ট তৈরি করা, যা স্ট্রিমিং জায়ান্টটি তাদের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের আয় বিবরণীতে জানিয়েছে।
এই অত্যাধুনিক এআই ব্যবহার করে অসংখ্য দর্শকের ভিড়, ঐতিহাসিক যুদ্ধের দৃশ্য এবং কাল্পনিক জগতের স্থাপনাগুলির মতো জটিল ভিজ্যুয়াল তৈরি করা হয়েছে। ‘গ্লোরি’, ‘ব্রাসিল ৭০: আ সাগা দো ট্রি’ এবং ‘দ্য আমেরিকান এক্সপেরিমেন্ট’-এর মতো শিরোনামগুলিতে Netflix generative AI-এর মাধ্যমে জটিল ভিজ্যুয়াল সিকোয়েন্স তৈরি হয়েছে, যা সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।
পোস্ট-প্রোডাকশনের বাইরেও নেটফ্লিক্সের এআই প্রচেষ্টা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। সংস্থাটি বেন অ্যাফ্লেকের এআই স্টার্টআপ অধিগ্রহণ করেছে, একটি এআই অ্যানিমেশন স্টুডিও প্রতিষ্ঠা করেছে এবং এমনকি তাদের আসন্ন রিয়েলিটি শো-তে জিন ওয়াইল্ডারের এআই-জেনারেটেড ভয়েস ব্যবহার করছে। এটি স্পষ্ট করে যে ভবিষ্যতের কনটেন্ট নির্মাণে এআই-এর ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
দর্শকদের আকর্ষণ এবং কনটেন্ট ধরে রাখার বিষয়ে উদ্বেগ থাকলেও, নেটফ্লিক্স জোর দিয়েছে যে গুণমান এবং বৈচিত্র্যই তাদের প্রধান লক্ষ্য। Netflix generative AI-এর মতো উন্নত এআই সরঞ্জামগুলির এই সংযুক্তি একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ, যার মাধ্যমে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতিযোগিতা বজায় রেখে কনটেন্টের বৈচিত্র্য বাড়ানো হচ্ছে।