ভারত ২০২৬ সালের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী **ইন্ডিয়া এআই গভর্নেন্স** এর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এই শীর্ষ সম্মেলন এআই সম্পদের কেন্দ্রীকরণ থেকে সরে এসে এর “গণতান্ত্রিক প্রসারে” মনোযোগ দিয়েছে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলিকে “এআই গ্রহণকারী” থেকে “এআই নির্মাতা”-তে রূপান্তরিত করার জন্য অপরিহার্য।
ইন্ডিয়া এআই মিশনের সিওও কবিতা ভাটিয়া এবং মেটিওয়াই-ইন্ডিয়াএআই এর প্রযুক্তি উপদেষ্টা অনুরাগ দেব উল্লেখ করেছেন যে, কম্পিউট, ডেটা এবং স্থাপনার সহজলভ্যতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিউ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই সামিট “নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন অন এআই ইমপ্যাক্ট”-এর মাধ্যমে শেষ হয়, যেখানে ৯০টিরও বেশি দেশ ও সংস্থা সমর্থন জানায়। এই ঘোষণাপত্রে এআই প্রযুক্তির সহজলভ্যতা, সুরক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাস্তবায়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক বৈষম্য দূর করতে ভারত ইন্ডিয়াএআই মিশনের অধীনে পাবলিক ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি করছে। ইন্ডিয়াএআই কম্পিউট পোর্টাল এবং এআইকোষের মতো উদ্যোগগুলি গবেষক এবং স্টার্টআপদের জন্য এআই-এর অ্যাক্সেস প্রসারিত করছে, অন্যদিকে ভাষিণী বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় প্রযুক্তি বিকাশে কাজ করছে। সামিটে স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে এআই-এর বাস্তব প্রয়োগের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
নীতিগত দিক থেকে, ভারত M.A.N.A.V. ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে আস্থা ও জবাবদিহিতার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। ভাটিয়া ও দেবের মতে, “কার্যনির্বাহ এখন গতি, স্কেল এবং যারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে তাদের সাথে অংশীদারিত্বে হওয়া উচিত,” যা **ইন্ডিয়া এআই গভর্নেন্স** এর মাধ্যমে টেকসই আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়। এটি বিশ্বব্যাপী এআই-এর ভবিষ্যৎ গঠনে ভারতের নেতৃত্বকে সুসংহত করে।