টেক ডেস্কঃ ভারত তার আকাশসীমা সুরক্ষিত করতে “সুদর্শন চক্র” নামে এক যুগান্তকারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই নতুন পদ্ধতিতে বিচ্ছিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার উপর নির্ভরতা কমিয়ে, দেশ জুড়ে একটি সমন্বিত, বহু-স্তরীয় বিমান প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করা হবে।
ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) রাশিয়ার তৈরি S-400 ট্রায়াম্ফ মিসাইল ব্যবস্থার সংখ্যা দ্বিগুণ করতে চলেছে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ সংক্রান্ত কাউন্সিল (DAC) আরও পাঁচটি রেজিমেন্ট সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে, যার ফলে IAF-এর S-400 স্কোয়াড্রনের সংখ্যা ১০-এ পৌঁছাবে।
একই সঙ্গে, ভারত দেশীয় প্রযুক্তির উপরও জোর দিচ্ছে। DRDO-র তৈরি প্রজেক্ট কুশা, একটি উন্নত পাল্লার ভূমি-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র (ER-SAM) ব্যবস্থা, ২০২৮ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে IAF-এর সঙ্গে যুক্ত হবে। এই দেশীয় প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রগুলির পাল্লা ১৫০ কিমি থেকে ৪০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।
মোটকথা, এই নতুন সংযোজনগুলি ভারতকে ১৫টি অত্যাধুনিক দীর্ঘ-পরিসরের বিমান প্রতিরক্ষা (LRAD) স্কোয়াড্রন সরবরাহ করবে। তবে, সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে কেবল সংখ্যা বৃদ্ধিই যথেষ্ট নয়। “সুদর্শন চক্র” পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো একে অপরের পরিপূরক রাডার ও মিসাইল জোন তৈরি করা, যাতে প্রাকৃতিক বাধা বা শত্রুপক্ষের ইলেকট্রনিক যুদ্ধ কৌশলের প্রভাব কাটিয়ে দেশের আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখা যায়।