“কিছুই আর নিরাপদ নয়” — ভারতের ৭,৫০০ কেজির Agni-V বাংকার-বাষ্টার ক্ষেপণাস্ত্রে কাঁপছে পাকিস্তান!

Agni-V

ভারত তার কৌশলগত সামরিক শক্তি আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল ,৫০০ কেজি ওজনের শক্তিশালী কনভেনশনাল বাংকার-বাষ্টার মিসাইল তৈরি করে, যা ৮০ থেকে ১০০ মিটার গভীর মাটির নিচেও আঘাত হানতে সক্ষম। এই মিসাইল তৈরি হয়েছে Agni-V ব্যালিস্টিক মিসাইল প্ল্যাটফর্মের উপর ভিত্তি করে, তবে এটিতে নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড নেই – বরং এটি একটি ভারি কনভেনশনাল ওয়ারহেড বহন করে, যার লক্ষ্য শত্রুপক্ষের শক্তভাবে সুরক্ষিত কমান্ড সেন্টার, মিসাইল সাইলো, বা অন্য গোপন সামরিক ঘাঁটি।

ভারতের কৌশল:

এই Agni-V কনভেনশনাল মিসাইলের রেঞ্জ প্রায় ২,৫০০ কিমি, যা পারমাণবিক সংস্করণের চেয়ে কম, তবে এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। দুটি ভ্যারিয়েন্টে এটি তৈরি হচ্ছে — একটি মাটির ওপরে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে, অপরটি গভীর মাটির নিচে প্রবেশ করে বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম, যা আমেরিকার GBU-57 Massive Ordnance Penetrator-এর মত।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই মিসাইল একদিকে যেমন নিউক্লিয়ার থ্রেশহোল্ড পেরোয় না, অন্যদিকে এটি শত্রুর কৌশলগত পরিকাঠামোকে ধ্বংস করতে সক্ষম – যা শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

পাকিস্তানের চিন্তা:

এই মিসাইল ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে পাকিস্তানে। পাকিস্তানের স্ট্র্যাটেজিক অ্যাফেয়ার্স বিশেষজ্ঞ এবং লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ের-এর ডিন রাবিয়া আখতার স্পষ্টভাবেই বলেছেন — “Nothing’s safe anymore (কিছুই আর নিরাপদ নয়)”! তাঁর মতে, যেহেতু এই মিসাইলটি একটি পারমাণবিক প্ল্যাটফর্ম থেকে ছোড়া হয়, তাই পাকিস্তানের early-warning systems এটা পারমাণবিক না কনভেনশনাল তা বোঝার আগেই বিপদ ঘটে যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এই ধরণের কনভেনশনাল স্ট্রাইক যদি পাকিস্তানের নিউক্লিয়ার কমান্ড পোস্ট বা নিউক্লিয়ার সাইলোর ওপর হয়, তাহলে পাকিস্তান তা নিউক্লিয়ার প্রথম আক্রমণ হিসেবে ধরতে পারে এবং বিপজ্জনক প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

অনুকরনে আমেরিকাও:

এই পদক্ষেপের পেছনে সম্প্রতি জুন ২০২৫-এ আমেরিকার ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণু কেন্দ্রে বাংকার-বাষ্টার আক্রমণ একটি বড় উদাহরণ। ভারতও দেখিয়েছে যে, পারমাণবিক অস্ত্র না ছুঁয়ে, উন্নত কনভেনশনাল মিসাইলেই কৌশলগত প্রভাব ফেলা যায়।

ভারতের এই Agni-V bunker-buster একটি অসাধারণ প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হলেও, দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত স্থিতাবস্থার উপর বড়সড় চাপ সৃষ্টি করেছে। পাকিস্তান মনে করছে, এই অস্ত্র নিউক্লিয়ার ও কনভেনশনাল যুদ্ধের মধ্যবর্তী রেখা ঝাপসা করে ফেলছে। এর ফলে হয়তো নতুন এক অস্ত্র প্রতিযোগিতার দিকেই এগোচ্ছে — যা হতে পারে বিপজ্জনক।

রাবিয়া আখতারের শেষ মন্তব্যে স্পষ্ট: “কিছুই আর নিরাপদ নয়।

সূত্র: প্রতিরক্ষা বিশ্লেষণ ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে।

এই মুহূর্তে

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: ভারতে অনলাইন ও টিভিতে লাইভ দেখবেন কোথায়? রইল সম্পূর্ণ গাইড

অডিওর পর এবার গ্রুমিং দুনিয়ায় Boat, এলো নতুন Slazer সিরিজ

এবার মানুষের চেয়েও বেশি ওয়েব ট্র্যাফিক তৈরি করছে AI এজেন্টরা!

OnePlus Community Sale 2026 শুরু: OnePlus 15, 15R ও অন্যান্য ডিভাইসে অবিশ্বাস্য ছাড়!