বুক কাঁপছে শত্রুদের! সুপারসনিক মিসাইল BrahMos-NG এবার জুড়বে MiG-29, Mirage-2000 ও TEJAS ফাইটার জেটে

Feature T&L

ভারতের সামরিক শক্তিকে আরও ধারালো করে তুলতে আসছে BrahMos-NG — একটি ছোট আকৃতির, অথচ মারাত্মক ক্ষমতাসম্পন্ন সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল। BrahMos Aerospace–এর এই নতুন প্রজন্মের মিসাইলটি তৈরি হচ্ছে বিশেষভাবে MiG-29, Mirage-2000 এবং দেশীয় TEJAS ফাইটার জেটগুলোর সঙ্গে একত্রে ব্যবহারের জন্য। ২০২৬ সালের মধ্যে এর প্রথম ফ্লাইট টেস্ট এবং ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে পুরোদমে উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

BrahMos-NG কী?

BrahMos-NG (Next Generation) হল মূল BrahMos মিসাইলের একটি হালকা ও ক্ষুদ্র সংস্করণ। আগের ভার্সন যেখানে প্রায় ৩ টন ওজনের ছিল, সেখানে এই নতুন সংস্করণটির ওজন মাত্র ১.৩ থেকে ১.৬ টনের মধ্যে। দৈর্ঘ্য ৬ মিটার এবং ব্যাস ৫০ সেমি—মানে আকারে আগের তুলনায় অনেক ছোট, কিন্তু গতি এবং ধ্বংসক্ষমতা একইরকম বিধ্বংসী। এটি Mach 3.5 (অর্থাৎ শব্দের চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি গতি) ২৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম।

বর্তমান পরিস্থিতি

BrahMos Aerospace–এর ডিরেক্টর জেনারেল Jaiteerth R Joshi জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে প্রথম ফ্লাইট টেস্ট এবং ২০২৭-২৮ সালে উৎপাদন শুরু হবে। উত্তরপ্রদেশে একটি নতুন ফ্যাক্টরি তৈরি হচ্ছে এই মিসাইল উৎপাদনের জন্য। ভারতীয় বায়ুসেনা ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০০টি BrahMos-NG মিসাইল কেনার অর্ডার দিয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ,০০০ কোটি

প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য

  • AESA (Active Electronically Scanned Array) রাডার প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে এতে, যা আগের মেকানিক্যাল রাডারের তুলনায় অনেক উন্নত।
  • রাডার থেকে লুকোনোর জন্য low radar cross-section ডিজাইন থাকায় শত্রুরা সহজে ধরতে পারবে না।
  • Fire and Forget পদ্ধতিতে কাজ করে—মানে একবার লঞ্চ করার পর এটি নিজে থেকেই টার্গেট চিনে আঘাত হানে।
  • ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চতায় ক্রুজিং এবং মাত্র ১০ মিটার উচ্চতায় টার্মিনাল অ্যাটাক করতে সক্ষম, যা “sea-skimming” এবং “terrain-hugging” স্ট্রাইকের জন্য পারফেক্ট।

কোথায় ব্যবহার হবে?

এখন শুধু Sukhoi Su-30MKI তেই BrahMos আছে, কিন্তু BrahMos-NG আরও ছোট ও হালকা হওয়ায় এটিকে MiG-29, Mirage-2000TEJAS–এর মতো হালকা ফাইটার জেটগুলিতেও সহজে বসানো যাবে। এমনকি ভবিষ্যতে RafaleTEJAS MK-2–এর জন্যও উপযোগী করে তোলা হবে।

জল, আকাশ, স্থল—সব জায়গায় প্রস্তুত

BrahMos-NG শুধুমাত্র আকাশপথে নয়, জলপথেও ব্যবহার করা যাবে। এটি torpedo tubesvertical launch systems থেকেও ছোঁড়া যাবে, ফলে সাবমেরিন বা জাহাজ থেকেও ব্যবহারযোগ্য হবে।

ভারতের জন্য BrahMos-NG এক বিশাল সাফল্যের দিশা দেখাচ্ছে। হালকা, দ্রুত, ধ্বংসাত্মক এবং বহু প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারের উপযোগী এই মিসাইল ভারতীয় বায়ুসেনার স্ট্রাইক ক্যাপাবিলিটিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। ২০২৬ সালে ফ্লাইট টেস্ট শুরু হলে এবং ২০২৭-২৮ নাগাদ সম্পূর্ণ উৎপাদন হয়ে গেলে, এটি হবে ভারতের অন্যতম প্রধান অস্ত্র।

এই মুহূর্তে

ইয়ান লেকান অ্যানথ্রোপিকের ৫০% চাকরি হারানোর পূর্বাভাস খারিজ করলেন মেটার প্রধান এআই বিজ্ঞানী

AI Chatbot আত্মহত্যা: চ্যাটবটের পরামর্শে ব্যক্তির মৃত্যু, উঠছে গুরুতর প্রশ্ন

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ২০২৬: বাঁশের বেড়া থেকে এআই প্রযুক্তি, অভূতপূর্ব সুরক্ষা

Project বিষ্ণুর ET-LDHCM হাইপারসনিক মিসাইল: ভারত Mach 8 গতির পথে