টেক ডেস্কঃ ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় এক নতুন মাইলফলক স্থাপিত হলো যখন সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার সাইমন ওং-এর নেতৃত্বে ASEAN দেশগুলির উচ্চপদস্থ কূটনীতিকদের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ব্রাহ্মোস মিসাইল উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এই ঐতিহাসিক BrahMos facility inspection-এর মাধ্যমে প্রতিনিধিরা ভারতের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষমতা এবং বিশ্বখ্যাত ব্রাহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের উন্নত প্রকৌশল সম্পর্কে সরাসরি ধারণা লাভ করেন।
এই কৌশলগত সফর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে ভারতের দেশীয় সামরিক ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত উন্নতিতে ক্রমবর্ধমান আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়। ব্রাহ্মোস মিসাইল, যা স্থল, সমুদ্র এবং আকাশ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য, তার অসাধারণ নমনীয়তা এবং নির্ভুল আঘাত হানার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে, যা ম্যাক ২.৮ থেকে ম্যাক ৩.০ গতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম।
২০২২ সালে ফিলিপাইনের সাথে ৩টি ব্রাহ্মোস অ্যান্টি-শিপ ব্যাটারির জন্য ৩৭৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি এবং ২০২৪ সালের প্রথম দিকে এর সফল ডেলিভারি এই পরিদর্শনের প্রেক্ষাপট তৈরি করে। এই সাফল্য ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম এবং মালয়েশিয়ার মতো অন্যান্য দেশের আগ্রহ বাড়িয়েছে, যারা এখন সামুদ্রিক এবং উপকূলীয় প্রতিরক্ষা সংস্করণের সম্ভাব্য ক্রয় নিয়ে আলোচনা করছে।
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা মেটাতে ভারত হায়দ্রাবাদ ও লখনউতে উৎপাদন ও ইন্টিগ্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত বাড়াচ্ছে। প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার জন্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলি এই বৃদ্ধিকে সমর্থন করছে, যা ভারতকে একটি উদীয়মান বিশ্ব প্রতিরক্ষা রপ্তানিকারক এবং কৌশলগত অংশীদার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করছে।