টেক ডেস্কঃ ভারত তার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী অগ্রগতি ঘটাতে চলেছে। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) এক বছরের মধ্যেই তাদের ৩০ কিলোওয়াট ডিরেক্টেড-এনার্জি অস্ত্রের প্রথম উৎপাদন মডেল নিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঘোষিত ‘সুদর্শন চক্র’ কর্মসূচির এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন এবং ইউএভি (Unmanned Aerial Vehicle) মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা নেবে।
এই ট্রাক-মাউন্টেড অস্ত্রটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক শক্তি ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুকে ‘সফট কিল’ (অক্ষম করা) বা ‘হার্ড কিল’ (ধ্বংস করা) করতে সক্ষম। সফল প্রযুক্তিগত পরীক্ষার পর, DRDO আগামী ছয় মাসের মধ্যে একটি উৎপাদন অংশীদার নির্বাচন করার জন্য আগ্রহপত্র জারি করবে। এর লক্ষ্য হলো এই শক্তিশালী লেজার বিম সিস্টেমকে দ্রুত দেশের প্রতিরক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা।
এই উদ্ভাবনের মাধ্যমে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ইজরায়েল, যুক্তরাজ্য এবং জার্মানির মতো হাতে গোনা কয়েকটি দেশের সারিতে চলে এল, যাদের এমন নন-কাইনেটিক (non-kinetic) ক্ষমতা রয়েছে। এই ৩০ কিলোওয়াট সিস্টেমটি পূর্ববর্তী ২ কিলোওয়াট এবং ১০ কিলোওয়াট ক্ষমতার অস্ত্রের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং আধুনিক।
DRDO ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন সিস্টেমসের ডিরেক্টর জেনারেল বি কে দাস দ্রুত উন্নয়ন চক্রের ওপর জোর দিয়েছেন এবং এই উদ্যোগে বেসরকারি শিল্প, এমএসএমই (MSME) এবং স্টার্ট-আপগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। এই উন্নত DRDO 30 kW Directed-Energy Weapon আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের ক্রমবর্ধমান আকাশপথে হামলা মোকাবিলায় ভারতের বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।